রেজি: কেএন ৭৫52 তম বর্ষ বাংলা June 28, 2022 ইং

করোনা পরিস্থিতি


Warning: array_filter() expects parameter 1 to be array, string given in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/corona.php on line 322
বাংলাদেশবিশ্বকরোনা মানচিত্রদেশে-দেশে

বাংলাদেশ

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: June 28, 2022 - 12:09 am (+06:00)

বিশ্ব

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: June 28, 2022 - 12:09 am (+06:00)
Last updated: June 28, 2022 - 12:09 am (+06:00)
1-9 10-99 100-999 1,000-9,999 10,000+

Global

  • Confirmed
    Deaths
    Recovered

    • Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/templates/corona-list.php on line 26
    Total
    0
    0
    0
    Last updated: June 28, 2022 - 12:09 am (+06:00)

    গরমের শুরুতেই ঘোষ ডেয়ারিতে বাসি পঁচা মিষ্টি বিক্রির ধুম

    সম্পাদক

    শেখ আব্দুল হামিদ
    গরমের শুরুতেই খুলনার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী হচ্ছে মিষ্টি। বাসি পঁচা মিষ্টি হরহামেশা টাটকা বলে বিক্রি করছে ক্রেতাদের কাছে। স্বাস্থ্যপরিদর্শকদের সাথে লেনদেন ঠিক রেখে দুর্নীতি করায় তারা রয়েছেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। বিভিন্ন সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হলেও জরিমানার টাকা প্রদান করে আবারও একই স্থানে ফিরে আসে।
    নগরির সর্বত্রই দেখা যায় সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারির ছড়াছড়ি। গত ৪ মার্চ সন্ধ্যায় গল্লামারী থেকে বটিয়াঘাটায় প্রবেশ মুখে বিপুল কুমার ঘোষের সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারিতে মিষ্টি কিনে প্রতারিত হলেন হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, ওই দোকান থেকে এক কেজি কালো মিষ্টি কিনে বাড়ি নিয়ে যান। খাওয়ার সময় বুঝতে পারেন তাকে পঁচা মিষ্টি দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন এত টক মিষ্টি তিনি কখনও খাননি।
    একই ভাবে টুটপাড়া জোড়াকল বাজার, বসুপাড়া, শেখপাড়া বাজার, নিউমার্কেট, কাষ্টমঘাট, বড়বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় মিষ্টির দোকান ঘুরে দেখা গেছে নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে মিষ্টি। বাসি মিষ্টির রস নতুন মিষ্টির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়। খোলা থাকে মিষ্টির সকল পাত্র। তাছাড়া করোনার এই মুহুর্তে হাত পরিস্কার না করেই মিষ্টি তৈরী শুরু করে। লক্ষ করা গেছে অনেকেরই গায়ের ঘাম মিষ্টির ভিতর পড়ে। এছাড়া উপজেলার মিষ্টি দোকান গুলোতে নোংরামির চিত্র আরও প্রকট। বিড়াল কুকুর যখন তখন প্রবেশ করে কারখানার ভিতর। মাটির মালসা না ধুয়েই বসানো হয় দই। তার উপরে নোংরা বস্তা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। বাসি মিষ্টির রসের দুর্গন্ধ আর পঁচা দুধের গন্ধে সেখানে মাছি সর্বদাই লেগে থাকে। স্বাস্থ্য পরিদর্শকদের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক থাকায় তারা মাসহারা পেয়ে পরিদর্শনে যায় না। হঠাৎকরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হলে মোটা অংকের টাকা জরিমানা গুনতে হয়। তারপরও থেমে নেই নোংরামি।
    গল্লামারী এলাকার বাসিন্দা নিলুফা ইয়াসমিন বলেন, তাকে নতুন তৈরী মিষ্টি বলে কয়েক দিন আগের পঁচা মিষ্টি দেয়া হয়। বাড়ি নিয়েই বিপাকে পড়ে ফেলে দিতে হয়েছে। তিনি বলেন মানুষ সরল বিশ^াাসে মিষ্টি কিনে বাড়িতে নিয়ে যায়। এভাবে যারা বাসি পঁচা মিষ্টি বিক্রি করে তাদের সাজার পরিমাণ বৃদ্ধি প্রয়োজন।
    বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, কিছু অসাধু ঘোষ ডেয়ারিকে একাধিকবার জরিমানা করা হয়েছে। তারপরেও সুযোগ পেলেই নোংরা পরিবেশে মিষ্টি তৈরী শুরু করে। স্থানীয় মানুষ সচেতন হলে ওইসব অসাধু ব্যক্তিরা এসব কাজ থেকে সরে আসবে। তার পরও সতর্ক দৃষ্টি রাখা হয়েছে।

    Leave a Reply