রেজি: কেএন ৭৫52 তম বর্ষ বাংলা October 2, 2022 ইং

করোনা পরিস্থিতি


Warning: array_filter() expects parameter 1 to be array, string given in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/corona.php on line 322
বাংলাদেশবিশ্বকরোনা মানচিত্রদেশে-দেশে

বাংলাদেশ

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: October 2, 2022 - 4:50 pm (+06:00)

বিশ্ব

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: October 2, 2022 - 4:50 pm (+06:00)
Last updated: October 2, 2022 - 4:50 pm (+06:00)
1-9 10-99 100-999 1,000-9,999 10,000+

Global

  • Confirmed
    Deaths
    Recovered

    • Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/templates/corona-list.php on line 26
    Total
    0
    0
    0
    Last updated: October 2, 2022 - 4:50 pm (+06:00)

    দ্বিশত জন্মবার্ষিকীতে চতুর্থ একক বক্তৃতায় শহীদুল্লাহ : বিদ্যাসাগর অনন্য, তবে অনেক বিষয়ে নিস্পৃহ ছিলেন

    জন্মভূমি রিপোর্ট

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর সময়ে সামাজিক অনেক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। প্রায় একক চেষ্টায় বিধবা বিবাহ আইন চালু, বহু বিবাহ রোধ, বাংলা বর্ণমালা সংস্কার, নারী শিক্ষা প্রসারে নিরলস চেষ্টা করেছেন; তবে ওই সময়ে গণমানুষের অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে, যাতে তাঁর কোন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা দেখতে পাওয়া যায় না। অবশ্য, এই সীমাবদ্ধতা শুধুমাত্র বিদ্যাসাগরের মধ্যে নয়, উনিশ শতকের বিদ্ব্যৎ সমাজের মধ্যেই গণ-মানুষের আন্দোলন-সংগ্রামে একটি নিস্পৃহ মনোভাব ছিল।     

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের দ্বিশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রগতি লেখক সংঘ খুলনা শাখার আয়োজনে একক বক্তৃতামালার বক্তা সালেহ মোহম্মদ শহিদুল্লাহ তাঁর চতুর্থ ও সমাপনী বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। শেষ দিনের বক্তব্যের বিষয় ছিল ‘উনিশ শতকের সাঁওতাল-কৃষক-নীল ও সিপাহী বিদ্রোহ এবং তৎকালীন বিদ্বৎ সমাজ’।  অরোতীর্থ বিদ্যাপীঠে শুক্রবার সোয়া ছটায় এ বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন লেখক-সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রোমেল রহমান।

    একক বক্তা সালেহ মোহম্মদ শহীদুল্লাহ সোয়া ঘন্টারও বেশী সময় ধরে কথা বলেন। তিনি অষ্টাদশ ও উনিশ শতকে ইংরেজ কোম্পানী শাসনামলে বাংলার কৃষকদের উপর নিপীড়নের ফল হিসেবে ফকির, তিতুমীর, সাঁওতাল, নীল ও সিপাহী বিদ্রোহের কারণ ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্যি, কলকাতাকেন্দ্রিক বিদ্বৎসমাজ এসব বিষয়ে কোন ভূমিকা রাখেননি। এমনকি বিদ্যাসারকেও এসব বিষয়ে নিস্পৃহ থাকতে দেখা যায়।

    সভাপতির বক্তব্যে গৌরাঙ্গ নন্দী বলেন, একটি মানুষ সময়ের সৃষ্টি। বিদ্যাসাগরের সময়টি অশিক্ষা ও নারী নিপীড়ন-অসম্মাণের কাল; তিনি খুবই দৃঢ়ভাবে এই দুটো বিষয়ের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। বলা চলে, এক্ষেত্রে তিনি নি;সঙ্গ শেরপা। একারণেই তিনি অনন্য। তবে এটি ঠিক, বৃহত্তর বঙ্গ সমাজের শ্রমজীবী মানুষের আন্দোলন-সংগ্রাম তাঁকে বিচলিত করেনি।    

    Leave a Reply