রেজি: কেএন ৭৫52 তম বর্ষ বাংলা August 19, 2022 ইং

করোনা পরিস্থিতি


Warning: array_filter() expects parameter 1 to be array, string given in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/corona.php on line 322
বাংলাদেশবিশ্বকরোনা মানচিত্রদেশে-দেশে

বাংলাদেশ

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: August 19, 2022 - 5:20 am (+06:00)

বিশ্ব

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: August 19, 2022 - 5:20 am (+06:00)
Last updated: August 19, 2022 - 5:20 am (+06:00)
1-9 10-99 100-999 1,000-9,999 10,000+

Global

  • Confirmed
    Deaths
    Recovered

    • Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/templates/corona-list.php on line 26
    Total
    0
    0
    0
    Last updated: August 19, 2022 - 5:20 am (+06:00)

    নগরীতে রুটিনের বাইরে লোডশেডিং: ক্ষুব্ধ নগরবাসী

    সম্পাদক

    জন্মভূমি রিপোর্ট
    খুলনায় লোডশেডিংয়ের রুটিন সঠিকভাবে অনুসরণ করতে পারছেনা বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ওজোপাডিকো। এক ঘন্টা করে দিনে দুইবার লোডশেডিং দেওয়ার কথা থাকলেও তার মানা হচ্ছেনা। দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষে গত ১৯ জুলাই রেশনিং করে সারাদেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং দেওয়ার নির্দেশনা দেয় জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
    এই নির্দেশনা অনুসারে খুলনা মহানগরীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে রাত আটটার পর নগরীর সকল দোকানপাট ও বিপনী বিতানগুলো বন্ধ আলোসজ্জা কমানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। নগরীতে লোডশেডিং দেওয়া রোষ্টার তৈরি করে ওজোপাডিকো।
    জ্বালানি সাশ্রয়ে এলাকাভিত্তিক এক থেকে দুই ঘণ্টার লোডশেডিংয়ের রুটিন মানতে পারেনি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ওজোপাড়িকো। বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘাটতি বেড়ে যাওয়ায় রুটিনের বাইরেও লোডশেডিং করতে হচ্ছে তাদের। খুলনার বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ওজোপাডিকোর কর্মকর্তারা এমনটাই জানিয়েছেন।
    দিনে মাত্র দুই ঘণ্টা লোডশেডিং দেওয়ার কথা থাকলেও রুটিনের বাইরে লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। এক ঘন্টার আগেই বিদ্যুৎ এলেও আবার আধা ঘণ্টা পর আবারো বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ফলে ক্ষুব্ধ নগরবাসী। শুক্রবার সকাল আটটা থেকে দুপুর রাত আটটা পর্যন্ত নগরীর সোনাডাঙ্গা ও সদর থানা এলাকায় একাধিকবার লোডশেডিং হয়েছে। এসময় ১০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং স্থায়ী হয়েছে।
    ওজোপাড়িকো সুত্রে জানা যায়, মহানগরীতে প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদা ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সরবরাহ হচ্ছে ১২২ ওয়াট বিদ্যুৎ। ফলে থেকেই যাচ্ছে বিদ্যুতের ঘাটতি। এদিকে নগরীর হাসপাতাল ও শিল্পকারখানা সহ জরুরি দপ্তরগুলোতে লোডশেডিং দিতে না পারায় বাড়তি চাপে বিদ্যুৎ বিভাগ।
    ওজোপাডিকোর কর্মকর্তারা বলেছেন, কোনো এলাকায় এক ঘণ্টা দিলেও অন্য এলাকায় একটু বেশি লোডশেডিং করতে হয়েছে তাদের। ফলে ফিডার ধরে লোডশেডিংয়ের রুটিন করা হলেও তা মানতে পারছে না তারা।
    মৌলভিপাড়ার বাসিন্দা মো: ওবায়দুল্লাহ বলেন, রুটিন অনুসারে লোডশেডিং হওয়ার কথা। অথচ প্রতিদিন একাধিকবার লোডশেডিং হয়েছে তাঁর এলাকায়। এক ঘণ্টা লোডশেডিং করে এ ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়।
    খুলনা ওজোপাডিকোর কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ শুভ্র প্রকাশ বলেন, খুলনা মহানগরীতে প্রতিদিন বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। এছাড়া নগরীর হাসপাতাল ও শিল্পকারখানা সহ জরুরি দপ্তরগুলোতে লোডশেডিং দেয়ার সুযোগ না থাকায় কমানো যাচ্ছে না বিদ্যুৎ ঘাড়তি।
    তিনি আরও বলেন, এ সকল কারণে ওজোপাডিকোর দেয়া শিডিউল অনুযায়ী লোডশেডিং দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

    Leave a Reply