রেজি: কেএন ৭৫52 তম বর্ষ বাংলা November 28, 2022 ইং

করোনা পরিস্থিতি


Warning: array_filter() expects parameter 1 to be array, string given in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/corona.php on line 322
বাংলাদেশবিশ্বকরোনা মানচিত্রদেশে-দেশে

বাংলাদেশ

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: November 28, 2022 - 1:03 am (+06:00)

বিশ্ব

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: November 28, 2022 - 1:03 am (+06:00)
Last updated: November 28, 2022 - 1:03 am (+06:00)
1-9 10-99 100-999 1,000-9,999 10,000+

Global

  • Confirmed
    Deaths
    Recovered

    • Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/templates/corona-list.php on line 26
    Total
    0
    0
    0
    Last updated: November 28, 2022 - 1:03 am (+06:00)

    পাঁচ বছরে সাড়ে ২৬ হাজার ধর্ষণ মামলা

    সম্পাদক

    জন্মভূমি ডেস্ক

    দেশের বিভিন্ন থানায় গত পাঁচ বছরে ২৬ হাজার ৬৯৫টি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত থানায় ধর্ষণ মামলা দায়েরের সংখ্যা প্রতি বছরই বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি মামলা দায়ের হয়েছে গত দুই বছরে।

    বুধবার হাইকোর্টে আইন ও সালিক কেন্দ্রের করা একটি রিটের জবাবে বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদন উপস্থাপিত হয়। রাষ্ট্রপক্ষের আরজির পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি নিয়ে আদালত আগামী ২৩ মে পরবর্তী আদেশের জন্য তারিখ রেখেছেন।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালে দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা চার হাজার ৩৩১টি। ২০১৭ সালে চার হাজার ৬৮৩টি। ২০১৮ সালে হয় চার হাজার ৬৯৫টি মামলা। ২০১৯ সালে ছয় হাজার ৭৬৬টি মামলা করা হয়। ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ধর্ষণের অভিযোগে ছয় হাজার ২২০টি মামলা হয়েছে। সব মিলিয়ে গত পাঁচ বছরে থানায় দায়ের হওয়া ধর্ষণের মামলা সংখ্যা ২৬ হাজার ৬৯৫টি।

    ধর্ষণের মতো শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা, সালিস বা মীমাংসা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে এবং ইতিপূর্বে এ বিষয়ে দেয়া তিনটি রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়ন চেয়ে গত বছরের ১৯ অক্টোবর আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পক্ষে একটি রিট করা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২১ অক্টোবর হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্র্বতীকালীন আদেশ দেন।

    সেদিন হাইকোর্ট ধর্ষণের ঘটনায় মধ্যস্থতা, সালিস বা মীমাংসা রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ধর্ষণের ঘটনায় গত পাঁচ বছরে সারাদেশের থানা, আদালত ও ট্রাইব্যুনালে কতগুলো মামলা হয়েছে, তা জানিয়ে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়। চার মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। সে অনুসারে পুলিশের মহাপরিদশক (আইজিপি) ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ প্রতিবেদন দাখিল করে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক, ইয়াদিয়া জামান, মো. শাহীনুজ্জামান ও সৈয়দা নাসরিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এম এম জি সারোয়ার।

    শুনানিতে আইজিপির প্রতিবেদনের অংশবিশেষ তুলে ধরে আইনজীবী অনীক আর হক বলেন, ধর্ষণের ঘটনা প্রতিবছর বাড়ছে। থানায় পাঁচ বছরে ২৬ হাজার ৬৯৫টি মামলা হয়েছে। তার বাইরে ট্রাইব্যুনালেও মামলা হয়। বাকিদের কাছ থেকে প্রতিবেদন আসেনি।

    রেজিস্ট্রার জেনারেলের প্রতিবেদন তুলে ধরে আইনজীবী বলেন, হাইকোর্টের ইতিপূর্বের রায়ের নির্দেশনা অনুসারে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। গত ১৮ নভেম্বর এই সেল গঠন করা হয়। হাইকোর্টের তিনটি রায় ছিল। এসব রায়ের নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ আদালতের আদেশের পরই তা করা হয়েছে।

    শুনানিতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, পাঁচ বছরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ও থানায় কতগুলো ধর্ষণ–সম্পর্কিত মামলা করা হয়েছে, সেই তথ্য পাঠানোর জন্য চিঠি দেয়া হয়েছে। আইজিপি এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সংশ্লিষ্ট বিচারক বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল থেকে তথ্য এলে পরবর্তী প্রতিবেদন দেয়া যাবে।’ এজন্য দুই মাস সময়ের আরজি জানান তিনি। শুনানি নিয়ে আদালত আগামী ২৩ মে পরবর্তী তারিখ রাখেন।

    রিটে তিনটি মামলায় ইতিপূর্বে উচ্চ আদালতের রায়ের নির্দেশনার প্রসঙ্গ উল্লেখ রয়েছে। ২০১৬ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের এক রায়ে বলা হয়, কোনো ধরনের দেরি না করে ধর্ষণ, যৌন হয়রানিসহ এমন প্রতিটি আমলযোগ্য অপরাধ যেখানেই ঘটুক না কেন, তার তথ্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে লিপিবদ্ধ করতে হবে। ১৮ দফার নির্দেশনায় বলা হয়, ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের সব ঘটনায় বাধ্যতামূলকভাবে কেমিক্যাল বা ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। ডিএনএ পরীক্ষা ও অন্যান্য পরীক্ষার নমুনা নির্ধারিত ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাব বা ডিএনএ প্রোফাইলিং সেন্টারে ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাঠাতে হবে।

    রিটকারীর আইনজীবীর ভাষ্য, ধর্ষণের ঘটনায় আইনি বিধিবিধান অনুসরণ ও ভুক্তভোগীর সুরক্ষা এবং যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিতে ইতিপূর্বে হাইকোর্ট তিনটি মামলায় রায় দেন। তবে রায়ের নির্দেশনার বাস্তবায়ন দেখা যায় না। এমন প্রেক্ষাপটে রিটটি করা হয়।

    Leave a Reply