রেজি: কেএন ৭৫52 তম বর্ষ বাংলা October 2, 2022 ইং

করোনা পরিস্থিতি


Warning: array_filter() expects parameter 1 to be array, string given in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/corona.php on line 322
বাংলাদেশবিশ্বকরোনা মানচিত্রদেশে-দেশে

বাংলাদেশ

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: October 2, 2022 - 3:32 pm (+06:00)

বিশ্ব

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: October 2, 2022 - 3:32 pm (+06:00)
Last updated: October 2, 2022 - 3:32 pm (+06:00)
1-9 10-99 100-999 1,000-9,999 10,000+

Global

  • Confirmed
    Deaths
    Recovered

    • Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/templates/corona-list.php on line 26
    Total
    0
    0
    0
    Last updated: October 2, 2022 - 3:32 pm (+06:00)

    পাইকগাছায় গেটের পাট ভেঙ্গে লবণ পানিতে এলাকা প্লাবিত : বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    সম্পাদক

    পাইকগাছা অফিস

    পাইকগাছার বয়রা গেটের পাট ভেঙ্গে জোয়ারের লবণ পানিতে ডুবে গেছে প্রায় ৫০ বিঘা বোরো ধান ক্ষেত। বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত। ধান ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় কৃষকের মাথায় হাত! লক্ষ লক্ষ টাকার ক্ষতি।

    জানা গেছে, উপজেলার গদাইপুর ইউপির বয়রার ওয়াপদা গেটের পাট ভেঙ্গে মঙ্গলবার রাতে পোল্ডার অভ্যন্তরে লবণ পানিতে প্লাবিত হয়ে বোরো আবাদসহ বিভিন্ন ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লবণ পানিতে প্লাবিত হওয়ায় এলাকার হতদরিদ্র কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের এ গাফিলতির জন্য এলাকাবাসী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। গোপালপুর গ্রামের হোসেন গাজী জানান, আমি ১ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছি বাড়ির অন্য ফসল বিক্রি করে কিন্তু রাতের আধারে লবণ পানিতে ডুবে প্লাবিত হয়েছে। ধানগাছ মারা যাচ্ছে। ঘোষাল গ্রামের শাহিন গাজি বলেন, আমি ঋত করে ধান চাষ করেছি। এখন লবণ পানিতে ডুবে যাওয়ায় আমি সর্বশান্ত হয়ে গেছি। আমার এখন কি হবে? ইউপি চেয়ারম্যান গাজী জুনায়েদুর রহমান বলেন, আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও কে বারবার বলেছি গেটের পাট নষ্ট হয়ে গেছে কিন্তু তিনি আমার কথায় কর্তপাত করেননি। পাইকগাছা পাউবোর এসও ফরিদউদ্দিন বলেন, গেটের পাটের জন্য টেন্ডার হয়েছে আগামি ১৫ দিনের মধ্যে পাট লাগাতে পারবো বলে আশা করছি। স্থায়ীভাবে সংস্কার না করা পর্যন্ত স্থানীয়দের কাঁঠের ফলবেট দিয়ে ঠেকিয়ে রাখতে হবে।

    Leave a Reply