রেজি: কেএন ৭৫52 তম বর্ষ বাংলা December 4, 2022 ইং

করোনা পরিস্থিতি


Warning: array_filter() expects parameter 1 to be array, string given in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/corona.php on line 322
বাংলাদেশবিশ্বকরোনা মানচিত্রদেশে-দেশে

বাংলাদেশ

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: December 4, 2022 - 3:38 pm (+06:00)

বিশ্ব

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: December 4, 2022 - 3:38 pm (+06:00)
Last updated: December 4, 2022 - 3:38 pm (+06:00)
1-9 10-99 100-999 1,000-9,999 10,000+

Global

  • Confirmed
    Deaths
    Recovered

    • Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/templates/corona-list.php on line 26
    Total
    0
    0
    0
    Last updated: December 4, 2022 - 3:38 pm (+06:00)

    মাদ্রাসা অধ্যক্ষকে পেটালেন ইউপি চেয়ারম্যান

    সম্পাদক

    জন্মভূমি রিপোর্ট
    কয়রার সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ইউপি) এস এম বাহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে এক মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কয়রা উত্তরচক আমিনীয়া বহুমুখি কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছেন। সেই সাথে তিনি কয়রা থানায় গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এজাহার দিলেও পুলিশ তা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত না করে মীমাংসার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই অধ্যক্ষ। শিক্ষক মাসুদুর খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    তিনি জানান, গত সোমবার মাদ্রাসায় কাজ করছিলেন তিনি। এ সময় সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম বাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় ইউনুসুর রহমান, নিয়াজ হোসেন, মাসুদুর রহমান, মিলন হোসেন, জহুরুল ইসলাম, রিয়াল, আমিরুল, অমিত মন্ডল, রফিকুল গাজী, সাদিকসহ ১৫/২০ জন লোক তাকে জোর করে ধরে রুম থেকে বের করে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ মোস্তফা আব্দুল মালেকের উপস্থিতিতে বাহারুল আমাকে গালাগাল করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা আমাকে ফেলে চোখে, ঘাড়ে, কানে পিঠে এলোপাতাড়ি মারপিট করে। এরপর সেখান থেকে তুলে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানেও বেদম মারপিট করা হয়। এতে আমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কানের পর্দা ফেটে যায়। একপর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফিরলে চেয়ারম্যান আমাকে মাদ্রাসা থেকে পদত্যাগ করতে বলেন। পরে কয়রা থানার এস আই মনিরুল ইসলাম আমাকে উদ্ধার করে। প্রথমে আমাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন পরিবারের সদস্যরা।
    জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, অধ্যক্ষ আমাকে অভিযোগ দিয়েছিলেন। তখন পড়ে দেখি সেটা ক্রিমিনাল অকারেন্স। তাই তাকে মামলা করতে বলা হয়েছে। মামলা না নিলে তাকে পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
    কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবিএমএস দোহা বলেন, আমি ছুটিতে ছিলাম। এ ধরনের কিছু জানি না। অধ্যক্ষ থানায় কোনো এজাহার জমা দেয়নি।
    পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, ঘটনাটি জানতে পেরে কয়রা থানাকে মামলা নিতে বলা হয়েছে।
    ইউপি চেয়ারম্যান এসএম বাহারুল ইসলাম বলেন, এই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাকালীন অধ্যক্ষ ছিলেন মোস্তফা আব্দুল মালেক। তিনি অবসরে যাওয়ার পরে মাদ্রাসার সভাপতি হতে চেয়েছিলেন। পরে তিনি সভাপতি না হতে পেরে, আমাকে সভাপতি করতে চেয়েছিলেন। সেখানে অধিকাংশ শিক্ষকরা ক্লাস ঠিকমত করে না, বাইরে ঘুরে বেড়ান। তারা দেখলেন, আমি যদি সভাপতি হই তবে সমস্যা, আমি নিয়ম কড়াকড়ি করি। আমার সঙ্গে মহারাজপুরের চেয়ারম্যানের একটু সমস্যা আছে। তারা সেই চেয়ারম্যানকে এনে আমার ইউনিয়েন মাদ্রাসার সভাপতি বানাইছে। এই নিয়ে একটু বিরোধ আছে। তারপরে নানা রকমের অভিযোগ শুনতে পারি। আমি মারধরের কোনো ঘটনায় জড়িত নই। তিনি যদি এমন কোনো প্রমাণ দিতে পারে, তবে আমি দোষী।

    Leave a Reply