রেজি: কেএন ৭৫52 তম বর্ষ বাংলা December 4, 2022 ইং

করোনা পরিস্থিতি


Warning: array_filter() expects parameter 1 to be array, string given in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/corona.php on line 322
বাংলাদেশবিশ্বকরোনা মানচিত্রদেশে-দেশে

বাংলাদেশ

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: December 4, 2022 - 10:24 pm (+06:00)

বিশ্ব

Confirmed
0
Deaths
0
Recovered
0
Active
0
Last updated: December 4, 2022 - 10:24 pm (+06:00)
Last updated: December 4, 2022 - 10:24 pm (+06:00)
1-9 10-99 100-999 1,000-9,999 10,000+

Global

  • Confirmed
    Deaths
    Recovered

    • Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /www/wwwroot/dainikjanmobhumi.com/wp-content/plugins/corona/templates/corona-list.php on line 26
    Total
    0
    0
    0
    Last updated: December 4, 2022 - 10:24 pm (+06:00)

    রূপসা চরের কিশোরী আঁখি এখন জাতিসংঘের ‘রিয়েল লাইফ হিরো’

    জন্মভূমি রিপোর্ট

    কম দামে মাস্ক তৈরি করে গরিব মানুষের কাছে বিক্রি করায় জাতিসংঘের ‘রিয়েল লাইফ হিরো’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন খুলনার রূপসা চরের কিশোরী আঁখি। দারিদ্র্যের চরম কষাঘাতে লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া আঁখি এখন খুলনার গর্ব।

    গত ১৯ আগস্ট ছিল বিশ্ব মানবতা দিবস। সেই দিবসে বাংলাদেশ থেকে ৪ জন অংশ গ্রহণ করে।  তারমধ্যে খুলনার রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের বাগমারা গ্রামের এক বস্তিতে তার বসবাস।

    সরোজমিন পরিদর্শন করে জানা গেছে,  রূপসা চরের বস্তিতে বসবাসরত মাসুদ মোল্লা ও আনোয়ারা বেগমের দ্বিতীয় মেয়ে আঁখি। আঁখি জানান,  সংসারে অভাব থাকার কারণে পড়াশুনা হয়নি তার। যখন করোনাভাইরাস শুরু হয়েছিল তখন বাজারে মাস্ক পাওয়া যাচ্ছিল না। কিছু কিছু দোকানে পাওয়া গেলেও সেগুলোর দাম ছিল অনেক। আমাদের এলাকার দরিদ্র মানুষ সেগুলো কিনতে পারতো না।  যখন জানলাম যে করোনা থেকে মুক্ত থাকতে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে তখন আমি নিজেই মাস্ক তৈরি করে কম দামে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। যাতে এলাকার দরিদ্র মানুষ মাস্ক পরতে পারে। যাদের একদম টাকা পয়সা নেই তাদেরকে বিনামূল্যে আমার তৈরিকৃত মাস্ক দিয়েছি।

    আঁখি জানায়, তার বাবা মাসুদ মোল্লা চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় কাজ করতেন।  সেখানে কর্মরত অবস্থায় তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন এবং শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। মা আনোয়ারা বেগমও চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় কাজ করতেন।  কিন্তু তার একার রোজগারে সংসার চালান অসম্ভব হয়ে ওঠে। পঞ্চম শ্রেণি পাস করার পর মাকে সাহায্য করার জন্য সে তার বড় বোনের সঙ্গে একটা চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় কাজে যোগ দেয়।  ফলে তার স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

    দুই বছর আগে ওয়ার্ল্ড ভিশন পরিচালিত জীবনের জন্য প্রকল্পের কর্মী তাকে চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় কাজ করতে দেখে সেখান থেকে নিয়ে তাকে স্কুলে ভর্তি করার উদ্যোগ নেন। 

    কিন্তু আঁখির বয়স বেশি হয়ে যাওয়ায় কোনো স্কুলে তাকে ভর্তি করানো যায়নি। অবশেষে আঁখির আগ্রহ দেখে ওয়ার্ল্ড ভিশন পরিচালিত জীবনের জন্য প্রকল্পের মাধ্যমে তাকে সেলাই প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করেন তিনি। প্রশিক্ষণ শেষে আঁখি যাতে তার নিজ ব্যবসা শুরু করতে পারে তার জন্য ওই প্রকল্প থেকে তাকে একটি সেলাই মেশিন ও কিছু থান কাপড় দেয়া হয়। শুরু হয় আঁখির পোশাক তৈরির ব্যবসা। ঘরে বসেই এলাকার লোকজনের পোশাক সেলাই করে মাসে গড়ে তিন হাজার টাকা রোজগার করত সে। আঁখির এই রোজগারে তার পরিবার সুখের মুখ দেখতে শুরু করে।

    Leave a Reply