জন্মভূমি রিপোর্ট
৩ বৈশাখ, বৃহস্পতিবার সকালে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভ্যাপসা গরম অধিপত্য বিস্তার করতে থাকে।
দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে। হঠাৎই প্রকৃতিতে সূর্যের আলো আস্তে আস্তে ম্লান হয়ে যায়। শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া, সঙ্গে ছিল মেঘের গর্জন। আকাশে ঘন মেঘ জমে, বিদ্যুৎ চমকাতে থাকে।
দুপুর ১টার পর থেকেই গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। ২টার দিকে কিছু সময়ের জন্য যেন সন্ধ্যা নেমে আসে। তখন পুরোদমে বৃষ্টিপাত হচ্ছিল।
মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখীর আকস্মিক প্রভাবে জনসমাগমস্থল থেকে মানুষ দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন।
বিকেল ৩টার পর বৃষ্টি কমে এলেও সূর্য তার তেজ হারায়। দিনের তাপমাত্রা কমে গিয়ে গরম থেকে স্বস্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বৈশাখের তাপমাত্রার কারণে আকাশে বজ্রমেঘের সৃষ্টি হয়। এর ফলেই এই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। জলবায়ুগত কারণেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
খুলনা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান দৈনিক জন্মভূমিকে জানান, দিনের তাপমাত্রা ৩০-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১.৫ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত কমে যায়। ঝড়ের স্থায়িত্বকাল ছিল প্রায় ২ মিনিট, তবে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ১৫ কিলোমিটার।
বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। শুক্রবারও আবহাওয়ার পরিস্থিতি প্রায় একই রকম থাকতে পারে।